পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি বলতে কি বোঝায়? পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির সুবিধা অসুবিধাসমূহ বর্ণনা কর।

অথবা, পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি বলতে কি বোঝায়? পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির উপকারিতা অপকারিতাগুলো আলোচনা কর।

উত্তর : 

ভূমিকা : প্রমাণসাপেক্ষ উপাত্ত সংগ্রহ করে গবেষণা করা বিজ্ঞানের অন্যতম লক্ষ্য। মনোবিজ্ঞান   তার গবেষণা কাজ পরিচালনা করতে গিয়ে কতিপয় পদ্ধতি অনুসরণ করে। এগুলোর মধ্যে বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতিটি হচ্ছে পর্যবেক্ষণ বা নিরীক্ষণ পদ্ধতি। মনোবিজ্ঞানে ব্যবহৃত পদ্ধতিগুলো প্রকৃতপক্ষে কোনো পৃথক পদ্ধতি না। পদ্ধতিগুলো একটি অপরটির সাথে সম্পর্কযুক্ত। একথা সত্য যে, পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির প্রয়োগ সবচেয়ে বেশি হয়। প্রাণী কোনো আচরণ অধ্যয়নের জন্য একই সাথে একাধিক পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হয়। মনোবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিগুলোকে যতগুলো ভাগে ভাগ করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি অন্যতম একটি পদ্ধতি।

পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিটি মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। এ পদ্ধতিকে বিষয়গত পদ্ধতি বলা হয়। গবেষণায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোনো এক বা একাধিক ঘটনার সামনে উপস্থিত থেকে প্রত্যক্ষভাবে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতিকে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি বলে।

প্রামাণ্য সংজ্ঞা : বিভিন্ন মনোবিজ্ঞানী বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিকে সংজ্ঞায়িত করেছেন সেগুলো নিচে প্রদান করা হলো। যথা:

Black and Champion বলেছেন, “পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট সময়ব্যাপী অন্য ব্যক্তির আচরণ উদ্দেশ্যমূলকভাবে ব্যবহার বা নিয়ন্ত্রণ না করে সতর্কভাবে লক্ষ্য করা বা কোনো এবং প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণমূলক ব্যাখ্যার উপযোগী করে রেকর্ড করা।”

Bernard S. Phillips বলেন, “তথ্য সংগ্রহের জন্য পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি হচ্ছে এমন একটি কৌশল যাতে অনুসন্ধানকারী সরাসরি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা না করে তথ্য সংগ্রহ করা।”

সুতরাং পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি বলতে দৃশ্যমান কোনো বিষয়কে দেখে তা খাতায় লিপিবদ্ধ করে নিয়ে বিশ্লেষণমূলক ব্যাখ্যার উপযোগী করে তৈরি করা। এমন কতকগুলো আচরণ বা ঘটনা আছে না গবেষণাগারে তৈরি করা যায় না সে সব আচরণ বা ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কোনো ঘটনা প্রকৃতিতে যেভাবে ঘটছে তাকে ঠিক সেভাবেই প্রত্যক্ষণ করাই হলো পর্যবেক্ষণ বা নিরীক্ষণ পদ্ধতি।

পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির সুবিধা : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি বহুল ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি। পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির কতকগুলো সুবিধা রয়েছে সেগুলো নিচে আলোচনা করা হলো। যথা

১. তথ্য পরিসংখ্যানের ভাষায় প্রকাশ : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে সংগৃহীত তত্ত্বগুলোকে সাধারণত পরিসংখ্যানের ভাষায় প্রকাশ করা হয় অর্থাৎ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে যে সকল তথ্য পাওয়া যায় তা প্রকাশিত হয় পরিসংখ্যানকৃত ভাষায়।

২. সকল আচরণ আয়ত্তাধীন : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে সবধরনের আচরণ সম্পর্কে জানা যায়। মানুষের বাহ্যিক আচরণ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মানুষের সম্পর্কে জানা যায় অর্থাৎ পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির সকল আচরণ আয়ত্ত্বাধীন।

৩. মানসিক অবস্থা জানা যায় : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে মানসিক অবস্থা জানা যায়। অন্য ব্যক্তির মনকে জানতে না পারলে মনসম্পর্কীয় সঠিক নিয়ম আবিষ্কার ও ব্যাখ্যা করা সম্ভব না। এজন্য পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি অবশ্যই প্রয়োজনীয়।

৪. স্বাভাবিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ : যে সকল আচরণ যে সব পরিবেশ পরিস্থিতিতে ঘটেছে সে সম্পর্কে জানা যায় পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে। কারণ স্বাভাবিক পরিবেশের তথ্য ভালোভাবে জানা যায় পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে।

৫. সঠিক আচরণ জানা যায় : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে মানুষ ও প্রাণীর সঠিক আচরণটি সম্পর্কে জানা যায়। এর ফলে ফলাফল ভালোভাবে বোঝা যায়।

৬. সমাজ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ : পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আমরা সমাজ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারি। বিভিন্ন সমাজের জাতির আচার-আচরণ রীতি নীতি। বিধিনিষেধ সংঘ জীবন পর্যবেক্ষণ করে সমাজের ক্রিয়া সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারি।

৭. পরীক্ষণ পদ্ধতির সহায়ক : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এটি পরীক্ষণ পদ্ধতির সহায়ক হিসেবে কাজ করে থাকে। পরীক্ষণের মাধ্যমে যে জ্ঞান লাভ করি তা বাস্তবে প্রয়োগযোগ্য কিনা সে সম্পর্কে জানতে পারি।

৮. নকশার প্রয়োগ হয় না : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে কোনো প্রকার নকশার প্রয়োজন হয় না। গাণিতিক ও জটিল কোনো প্রকার নকশার প্রয়োজন হয় না।

৯. শিশু ও প্রাণীর ক্ষেত্রে প্রয়োজ্য সকল বিষয়ে অন্তদর্শন পদ্ধতি কাজ করে না বা অন্তদর্শন পদ্ধতির প্রয়োগ সম্ভব না সে সকল ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির প্রয়োগ প্রয়োজন। যেমন- শিশু প্রাণী, মন, অস্বাভাবিক মন ইত্যাদি। যে সব ক্ষেত্রে জ্ঞান লাভ করার জন্য পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে জানতে পারি।

১০. বাহ্যিক অংশ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ : মনের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো অন্তদর্শন পদ্ধতির মাধ্যমে জানতে পারি তবে মনের বাহ্যিক অংশগুলো সম্পর্কে জানতে হলে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির দরকার।

১১. পূর্ব অভীক্ষকের ভূমিকা : জরিপ বা অন্যান্য পদ্ধতি প্রয়োগের ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি পূর্ব অভীক্ষক হিসেবে ভূমিকা পালন করে থাকে।

১২. সাংকেতিকরণ করা : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে যে সকল ঘটনাকে ধারণ করা যায়। সেগুলোকে যথাযথভাবে সম্পাদনার মাধ্যমে সাংকেতিকরণ করা হয়।

১৩. উদ্দেশ্যমূলক : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির অন্যতম সুবিধা হচ্ছে এটি উদ্দেশ্যমূলক। অর্থাৎ পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে কোনো কিছু উদ্দেশ্যমূলকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়ে থাকে।

১৪. তাৎক্ষণিক রূপ : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির আরেকটি সুবিধা হচ্ছে তাৎক্ষণিক রূপ। অর্থাৎ একজন ব্যক্তিকে যখন পর্যবেক্ষণ করা হয় তখন সে তাৎক্ষণিকভাবে যে আচরণগুলো করে থাকে সেগুলোকে রেকর্ড করে থাকে।

১৫. নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যক্ষণ : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে যা কিছু পর্যবেক্ষণ করা হয় সব কিছু নিয়ম অনুসারে করা হয়। নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যক্ষণ অন্যতম একটি সুবিধা।

পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির অসুবিধা : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির কতকগুলো অসুবিধা বা অপকারিতা রয়েছে- সেগুলো নিচে আলোচনা করা হলো। যথা:,

১. ব্যক্তিনিষ্ঠ ফলাফল : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির প্রধান অসুবিধা হলো ফলাফলে ব্যক্তিনিষ্ঠ প্রভাব। পর্যক্ষেণ পদ্ধতিতে ফলাফল অনেকটা ব্যক্তিনিষ্ঠ হয়ে থাকে। কারণ পর্যবেক্ষকের ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার, পূর্বধারণা, পক্ষপাতিত্ব ইত্যাদি পর্যবেক্ষণের ফলাফলের উপর প্রভাব বিস্তার করে থাকে।

২. ইচ্ছামত পর্যবেক্ষণ করা যায় না : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির আরেকটি অসুবিধা হচ্ছে যে, ইচ্ছামত ঘটনা তৈরি করে কোনো কিছু পর্যবেক্ষণ করা যায় না। পর্যবেক্ষককে কোনো ঘটনা সৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করতে হয় পর্যবেক্ষণের জন্য। যেমন— মারামারি পর্যবেক্ষণ করতে হলে প্রকৃত পর্যবেক্ষণের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না।

৩. প্রাপ্ত তথ্যের যথার্থতা যাচাই : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির বড় দোষ বা ত্রুটি বা অসুবিধা হচ্ছে যে পর্যবেক্ষণের ফলে যে প্রাপ্ত ফলাফল পাওয়া যায় তার যথার্থতা যাচাই করা অনেক কঠিন ব্যাপার। কারণ পর্যবেক্ষণকৃত বিষয়ের পুনরাবৃত্তি করা যায় না।

৪. চলের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেই : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে বিভিন্ন ধরনের যেসব চল আছে সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। যেমন- এখানে একটি দিক পর্যবেক্ষণের সময় বাহ্যিক কোনো চল প্রভাব বিস্তার করতে পারে তখন সেই চলকে নিয়ন্ত্রণের কোনো ব্যবস্থা নেই।

৫. বহিঃপ্রকাশিত তথ্য থেকে জ্ঞান লাভ করা কঠিন : পর্যবেক্ষণকৃত পদ্ধতির আরেকটি অসুবিধা হচ্ছে যে ব্যক্তিক সাক্ষাৎকার গ্রহণ করার ফলে যে তথ্য বের হয়ে আসে সেখান থেকে গভীরতম তথ্য বা জ্ঞান লাভ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

৬. মানসিক প্রক্রিয়ার ভিন্নতথ্য প্রকাশ : অনেক সময় একই ব্যক্তির মানসিক প্রক্রিয়ার প্রকাশ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। অর্থাৎ কোনো ব্যক্তির বাহ্যিক আচরণ পর্যবেক্ষণ করে অন্তর্নিহিত মানসিক প্রক্রিয়ার সঠিক জ্ঞান লাভ করা যায় না। কারণ অনেক সময় দুঃখ মানুষকে স্থির করে তোলে আবার অস্থিরও করে তোলে ফেলে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না ।

৭. আচরণ বোঝা কষ্টকর : পর্যবেক্ষণের ফলে অনেক সময় আচরণ বোঝা কষ্টকর হয়ে থাকে। কারণ একটি কষ্টে মানুষ বিভিন্ন ধরনের আচরণ করে থাকে। যেমন- কেউ সুখে চোখের জল ফেলে আবার কেউ দুঃখে চোখের জল ফেলে ।

৮. কৃত্রিম আচরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্যহীন : কৃত্রিম আচরণের ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি অপ্রযোজ্য। কারণ কোনো ব্যক্তিকে পর্যবেক্ষণের সময় সেই ব্যক্তি যদি কৃত্রিম আচরণ করে তাহলে তার ভিতরের সঠিক তথ্য জানা যায় না।

৯. স্থায়িত্বের ওপর নির্ভরশীল : পর্যবেক্ষণ ঘটনার স্থায়িত্বের ওপর নির্ভরশীল। ঘটনা অল্প সময় স্থায়ী হলে তা যথার্থরূপে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয় না। অন্যদিকে ঘটনার স্থায়িত্বকাল দীর্ঘ হলেও পর্যবেক্ষণ করা যায় না।

১০. পর্যবেক্ষণে সীমাবদ্ধতা : মানুষের কিছু কিছু গোপনীয় বিষয় থাকে যেগুলো বাস্তবে পর্যবেক্ষণ করা যায় না। যেমন— মানুষের আয়-ব্যয়, দাম্পত্য জীবন, অপরাধ ইত্যাদি বিষয়ের উপর পর্যবেক্ষণ সম্ভব নয়।

১১. সর্বজনীন নয় : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে গবেষণা করার জন্য দক্ষ, অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গবেষক প্রয়োজন । কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে প্রতিটা সমাজেই এরূপ দক্ষ, অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গবেষকের অভাব বিদ্যমান। কাজেই এ পদ্ধতি সর্বজনীন নয়।

১২. সমগ্র নমুনার ক্ষেত্রে অপ্রযোজ্য : পর্যবেক্ষণ কার্য সাধারণত মুষ্টিমেয় নমুনা নিয়েই করা সম্ভব। সমগ্রকের আকৃতি ব্যাপক হলে তাতে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে গবেষণা করা যায় না। এরূপ অবস্থায় পর্যবেক্ষণ নয় বরং অন্য কোনো পদ্ধতি অনুসরণ করা বাঞ্ছনীয়।

১৩. পর্যবেক্ষকের অংশগ্রহণ : পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে পর্যবেক্ষক সর্বক্ষেত্রে সব দলে বা জনসমাজে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। যেমন- গোপন সমাজ, সরকারি এজেন্সি, অপরাধ চক্র, গুপ্তচর সংস্থা ইত্যাদিতে বাস্তবে কোনো পর্যবেক্ষকের পক্ষে অংশগ্রহণ করা সম্ভব নয়।

উপসংহার : পরিশেষে উপরিউক্ত আলোচনার আলোকে বলা যায় যে, পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি বলতে প্রাকৃতিকভাবে যা কিছু ঘটে তাকে পর্যবেক্ষণ করাকে বোঝায়। পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে তথ্য পরিসংখ্যানের ভাষায় প্রকাশ করা হয়ে থাকে। পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি পরীক্ষণ পদ্ধতির সহায়ক হিসেবে কাজ করে থাকে।  পূর্ব অভীক্ষক হিসেবেও অনেক ক্ষেত্রে কাজ করে থাকে। পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে আবার চলের কোনো নিয়ন্ত্রণ করা যায় না বলে পর্যবেক্ষণের সময় সমস্যা হয়ে থাকে। এ সত্ত্বেও পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি অন্যতম একটি পদ্ধতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *